বাংলানিউজমেইল
জাতীয়

পে স্কেল নিয়ে বড় সুখবর, ফাইল উঠছে মন্ত্রিসভায়

অপরাধচিত্র ডেস্ক : বহুল প্রতীক্ষিত নবম জাতীয় পে স্কেল নিয়ে আবারও গতি এসেছে। নতুন বেতন কাঠামোর প্রস্তাবটি চূড়ান্ত পর্যালোচনার পর্যায়ে রয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
সব কিছু ঠিক থাকলে চলতি মাসের শেষ দিকে অথবা আগামী সপ্তাহে প্রস্তাবটি মন্ত্রিসভার বৈঠকে উপস্থাপন করা হতে পারে। অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি অনুমোদন পেলে পরবর্তী ধাপে প্রজ্ঞাপন জারির প্রক্রিয়া শুরু হবে। তবে পে স্কেল কবে কার্যকর হবে, সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নে সরকারের সামনে সবচেয়ে বড় বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে এর আর্থিক প্রভাব।
আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল (আইএমএফ) সরকারের ব্যয় ও মূল্যস্ফীতির ওপর সম্ভাব্য চাপ বিবেচনায় পে-স্কেল বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।
তবে সরকার বিষয়টি পুরোপুরি পিছিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে নিজেদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনা করে বাস্তবায়নের পথ খুঁজছে বলে জানা গেছে। প্রয়োজনে ধাপে ধাপে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকর করার বিষয়টিও বিবেচনায় রয়েছে।
২০১৫ সালে অষ্টম জাতীয় পে স্কেল কার্যকর হওয়ার পর দীর্ঘ সময় ধরে নতুন কোনো জাতীয় বেতন কাঠামো ঘোষণা হয়নি।
এ সময়ে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন প্রতিবছর নির্ধারিত হারে ইনক্রিমেন্ট পেলেও জীবনযাত্রার ব্যয় ও মূল্যস্ফীতি উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এর পরিপ্রেক্ষিতে নবম জাতীয় পে স্কেলের দাবি জোরালো হয়। ২০২৫ সালের জুলাইয়ে নবম পে কমিশন সরকারের কাছে প্রতিবেদন জমা দেয়। প্রতিবেদনে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে ১৪০ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ানোর সুপারিশ করা হয়েছিল।
প্রস্তাব অনুযায়ী, সর্বনিম্ন মূল বেতন ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়।
পরে নতুন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর গত ২১ এপ্রিল পে স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যালোচনার জন্য একটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয়। ওই কমিটির পর্যালোচনা ও সুপারিশের ভিত্তিতেই নতুন বেতন কাঠামোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা রয়েছে।
অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, প্রস্তাবিত বেতন কাঠামো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হলে সরকারের বার্ষিক ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে পারে। অতিরিক্ত ব্যয়ের চাপ সামাল দিতে রাজস্ব আয় বাড়ানো এবং সরকারি ব্যয় ব্যবস্থাপনায় আরো দক্ষতা আনার প্রয়োজন হবে।
এদিকে নতুন পে স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের মধ্যে প্রত্যাশা বাড়ছে। মন্ত্রিসভায় প্রস্তাবটি কবে উঠবে, অনুমোদনের পর কখন প্রজ্ঞাপন জারি হবে এবং কোন কাঠামোয় নতুন বেতন কার্যকর হবে, এখন সেদিকেই তাকিয়ে রয়েছেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

Related posts

সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মসূচি বন্ধে ইসির চিঠি

bangladmin

৫৯ বছর পর খুলল সুলতানগঞ্জ-মায়া নৌবন্দর

bangladmin

বিএনপি এলে ভোটের তারিখ পেছানোর বিষয়ে ভাববে ইসি

bangladmin

শিগগিরই নিত্যপণ্যের দাম কমবে: কৃষিমন্ত্রী

bangladmin

শপথ নিলেন ২৫ মন্ত্রী, ১১ প্রতিমন্ত্রী

bangladmin

দেশে ফিরলেন প্রধান উপদেষ্টা

bangladmin

Leave a Comment