শুক্রবার (২১ আগস্ট) বিকেলে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট হাসিব উল্লাহ পিয়াস তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
কারাগারে পাঠানো আসামিরা হলেন মো. ফয়সাল আহমেদ (৩৫), তার স্ত্রী রাহেমা খাতুন রেশমা (২৯) এবং ফয়সালের শ্বশুর এ বি এম আব্দুর রাজ্জাক (৪৭)।
মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা শাহবাগ থানার উপপরিদর্শক মাহফুজা আক্তার আসামিদের আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন জানান।
এর আগে, গত ১২ আগস্ট ঢামেক হাসপাতালের জরুরি বিভাগের সামনে থেকে অজ্ঞাতনামা হিসেবে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ উদ্ধার করে শাহবাগ থানা পুলিশ। পরবর্তীতে তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় নিহতের পরিচয় শনাক্তের পর গত ২০ আগস্ট বিকেলে বাসাবো বাজার থানায় খবর পেয়ে শাহবাগ থানায় হাজির হন মিমের মা রাবেয়া বেগম।
পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে আসে, মিমের মৃত্যুর পর অপরাধ ঢাকতে ও নিজেদের বাঁচাতে আসামিরা সুকৌশলে তার লাশ হাসপাতালে নিয়ে ফেলে রেখে পালিয়ে যায়। ঘটনার পরপরই তারা দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর ধরে বসবাস করা সানারপাড়ের ফ্ল্যাট ছেড়ে ডেমরার বামৈল এলাকায় সপরিবারে আত্মগোপন করে। পরে গত ২১ আগস্ট দুপুর দেড়টায় পুলিশ অভিযান চালিয়ে ডেমরা থানার বামৈল এলাকা থেকে আসামিদের গ্রেপ্তার করে।

