চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ বেড়েছে রোগীর চাপ। মাত্র ২২টি শয্যার বিপরীতে গত সাত দিনে ভর্তি হয়েছে ৩২০ শিশু। অতিরিক্ত রোগীর চাপে শয্যা সংকট দেখা দেওয়ায় অনেক শিশুকে মেঝেতে বিছানা পেতে চিকিৎসা নিতে হচ্ছে। এতে একদিকে রোগী ও স্বজনদের ভোগান্তি বাড়ছে, অন্যদিকে সীমিত জনবল নিয়ে অতিরিক্ত রোগীর চাপ সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে চিকিৎসক ও নার্সদের।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, সদর হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে দুটি কেবিনসহ মোট ২২টি শয্যা রয়েছে। এর মধ্যে ২০টি সাধারণ বেড ও দুটি কেবিন। তবে সাম্প্রতিক সময়ে প্রতিদিনই নির্ধারিত শয্যার তুলনায় কয়েক গুণ বেশি শিশু চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসছে। ফলে শয্যা পূর্ণ হওয়ার পরও নতুন রোগী ভর্তি হওয়ায় ওয়ার্ডের ভেতরে তৈরি হচ্ছে তীব্র স্থান সংকট।
হাসপাতালের তথ্য অনুযায়ী, গত সাত দিনে অর্থাৎ ১৯ আগস্ট থেকে ২৫ আগস্ট রাত ১০টা পর্যন্ত শিশু ওয়ার্ডে মোট ৩২০ জন রোগী ভর্তি হয়েছে। এর মধ্যে ১৯ আগস্ট ৫৪ জন, ২০ আগস্ট ৫৩ জন, ২১ আগস্ট ৩৭ জন, ২২ আগস্ট ৫৬ জন, ২৩ আগস্ট ৪১ জন, ২৪ আগস্ট ৩৭ জন এবং ২৫ আগস্ট ৪২ জন শিশু ভর্তি হয়েছে।
বর্তমানে শিশু ওয়ার্ডে মোট ভর্তি রোগীর সংখ্যা ১০৫ জন। অর্থাৎ ২২টি নির্ধারিত শয্যার বিপরীতে একসঙ্গে চিকিৎসাধীন রয়েছে শতাধিক শিশু। ফলে ওয়ার্ডের স্বাভাবিক ধারণক্ষমতার তুলনায় রোগীর সংখ্যা অনেকটাই বেশি।

