প্রেস শো হলো স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্র “তৃষাতুর”এর

88

নিজস্ব প্রতিবেদক: প্রাপ্তিতে সুখ, প্রাপ্তিতে শান্তি। এটাই জীবনের অর্জন। জিততে হবে পেতে হবে। ওটাই অর্জনের স্বস্তি। ইহলোক কিংবা পরলোক আপন স্বর্গে জয়ের লোভ তাড়া করা সময়। ধর্ম থেকে কর্ম, দু’ই আজ প্রাপ্তির উপকরন অর্জনের সামগ্রি। নিবেদিত প্রানটা অলৌকিক। অতৃপ্ত তৃষ্ণার অস্থিরতা সমাজের কিছু মানুষের।

স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচিত্র “তৃষাতুর” সেই প্রাপ্তি আকাংক্ষার একটি প্রতিচ্ছবি। “তৃষাতুর” মূলত লোভ লালনের পরিনতির ছবি। ডিজিটার ফরমেটের চলচিত্রটিতে বলার চেষ্টা করা হয়েছে, আমাদের প্রতিদিনকার যে চর্চা ধর্ম ও কর্ম নিয়ে সেটা মূলত একান্ত নিজের প্রাপ্তির স্বপ্ন থেকে। আপন প্রাপ্তির স্বপ্ন অন্যের উপর কি প্রভাব পরবে সেটা অনেক সময়ই ভাবা হয় না। যেকোন মূল্যে চাই, পেতে হবে। কারও জন্য কিছু করা বা সমষ্টিগত চিন্তা থেকে বের হয়ে ব্যাক্তি কেন্দ্রিক প্রাপ্তিতে সুখ খোজার সংস্কৃতি তৈরী হয়েছে। আসলে সমাজ এখন আযব বস্তুবাদী ভাবনায় বিশ্বাসী। আমাদের ধর্ম ও কর্ম ভাবনায় আধ্যাত্তিকা আর বস্তুবাদের এক অদ্ভুদ মিশ্রন চলছে।

এমনই এক লোভ লালনের কাল্পনিক চরিত্র কবীর সরোয়ার। বিশ বছর আগের ঘটে যাওয়া ঘটনার দায় বয়ে বেড়ানো এই মানুষটির এক রাতের স্বপ্ন “তৃষাতুর”। নিজের সাথে নিজের এক মনস্তাত্তিক যুদ্ধ। তার স্বপ্নে আরও ভেসে বেড়ায় হারিয়ে ফেলা স্ত্রী, সন্তান সহ পাপ-পূন্যে লালন করা নানা অস্তিত্ত। 

আঠাইশ মিনিটের ডিজিটাল ফরমেটের স্বল্পদৈর্ঘ্যটি রচনা ও পরিচালনা করেছেন এন এস এম মঈনুল হাসান সজল। প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন বুলবুল আহমেদ জয়। এছাড়া নুসরাত রাইসা, সাঈদ রিংকু, সুকন্যা অামীর, রিফাত রহমান রাখী, শাহিনুর আক্তার প্রীতি, আনোয়ার শামীম, এম ফাহিম ফয়সাল স্মরণ, ফয়সাল মাহমুদ, জুয়েল ইসলাম, হাসান রবিন, শহিদুল আহমেদ রোহান, মো: মেহেদী পারভেজ। চিত্রগ্রহন সাখাওয়াত বাবলু, পোষ্ট-প্রডাকশন আশরাফুল আলম। “ভোলা তুই..” গানটি গেয়েছেন খালেদ মুন্না, সুর করছেন শরীফ আরিফিন রনি এবং কথা এন এস এস এম মঈনুল হাসান সজল। নির্বাহী প্রযোজক নুসরাত রাইসা। থিয়েটার কর্মিদের অভিনিত চলচিত্রটি প্রযোজনা করছেন পরিচালক ও তার পুরো “তৃষাতুর টিম”।

৪ আগষ্ট”২০১৯ সন্ধ্যা ৭:০০ প্রেস শো অনুষ্ঠানে এন এস এম মঈনুল হাসান সজল এর প্রথম সাহিত্য ও দ্বিতীয় গ্রন্থ “প্রতিসমতা”র মোড়ক উন্মোচন হয়। প্রকাশক- বাদল সাহা শোভন। প্রকাশনী- পূর্বা প্রকাশনী।

মধ্য শ্রেনীর জীবনটা সরলরেখায় ভাজ করলে দুটি অংশ পরস্পর মিলে যাবে। কখনও কিছু জীবন যতটাই ঘুরানো হোক বা অবস্থান পরিবর্তন হোক আদি রূপ হারাবে না। দুটি ভিন্ন সময় অভিন্ন প্রতিবন্ধকতায় অভিন্ন বাস্তবতার চিত্র “প্রতিসমতা”।

“প্রতিসমতা” মূলত জীবন সংগ্রামীদের গল্প। শ্রেনী উত্তির্নের বাধ্যবাধকতা এবং শ্রেনীবৈষম্যের বাস্তবতার চিত্র।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here