সাভারের ট্যানারী শিল্প কারখানার সেই একই চিত্র

0
100

রাজধানীর হাজারীবাগ থেকে ট্যানারি সরিয়ে সাভারে নেওয়ার পর এক বছর চার মাস পেরিয়ে গেলেও চামড়া শিল্পনগরের অবস্থার বিশেষ কোনো পরিবর্তন হয়নি। এত দিনেও কঠিন বর্জ্য ফেলার বিষয়টি সুরাহা করতে পারেনি শিল্প মন্ত্রণালয়। কেন্দ্রীয় বর্জ্য পরিশোধনাগারে (সিইটিপি) নির্মাণকাজ পুরোপুরি শেষ হয়নি। মারাত্মক ক্ষতিকর রাসায়নিক ক্রোমিয়াম পুনরুদ্ধার বা রিকভারি ইউনিট চালু হয়নি। রাস্তাঘাট সংস্কারের কাজ সবে শুরু হয়েছে।

বছরখানেক আগে যেভাবে নদীদূষণ হতো, তা এখনো বন্ধ হয়নি। বর্জ্যের ভাগাড়ের বাঁধ ভেঙে বারবার তা নদীতে পড়ছে। পাইপলাইন উপচে বর্জ্য নালা দিয়ে নদীতে গিয়ে মিশছে। সিইটিপি থেকে যে পানি নদীতে ফেলা হচ্ছে, তাতেও মাত্রার চেয়ে বেশি ক্ষতিকর রাসায়নিক থাকছে।

এ অবস্থায় ঈদুল আজহা ঘনিয়ে আসছে। আগামী মাসে শিল্পনগরে ট্যানারিগুলো তাদের পুরো সক্ষমতা ব্যবহার করে চামড়া প্রক্রিয়া শুরু করবে। উদ্যোক্তারা বলছেন, গত ঈদুল আজহার মতো এবারও খারাপ পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে। ট্যানারির উৎপাদনে হয়তো কোনো সমস্যা হবে না, কিন্তু নদীদূষণের মাত্রা বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে। ঈদুল আজহার পর সার্বিক প্রস্তুতি নিয়ে শিল্পসচিব মোহাম্মদ আবদুল্লাহ বলেন, চামড়া প্রক্রিয়াকরণে বিশেষ কোনো সমস্যা হবে না। কঠিন বর্জ্য ফেলার ব্যবস্থা রয়েছে। তরল বর্জ্য পরিশোধনের জন্য সিইটিপি ভালোভাবে চলছে। তিনি বলেন, এবার পরিদর্শন দল থাকবে। তারা তদারকি করবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here